Pages

Sunday, December 11, 2022

ডায়েরী ১৯৭৮-২০০৮ - আবদুল মান্নান সৈয়দ

আবদুল মান্নান সৈয়দ আমাদের সাহিত্যপরিমগুলের এক অনিবার্য ব্যক্তিত্ব। কবিতা- গল্প-উপন্যাস- প্রবন্ধ-সমালোচনা-গবেষণা-কাব্যনাটকসহ সাহিত্যের সব-ক'টি অঙ্গনে তিনি অবদান রেখেছেন। এখনো তার কলম সতৃষ্ণ এবং নতুনতর বিষয়ের অভীক্ষায় প্রবৃত্ত। প্রথমবারের মতো বিগত তিরিশ বছর (১৯৭৮-২০০৮) সময়সীমার মধ্যে তার ডায়েরি সংস্থিতি পাচ্ছে এই বইয়ে। একজন উজ্জ্বল ব্যক্তির দিনলিপির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সেটি তো আছেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি যে সময়ের তার নিজস্ব ভাবনাজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি এবং তার সাহিত্যিক নিবেদনকে বুঝতেও সহায়তা করবে।

ডায়েরী ১৯৭৮-২০০৮ - আবদুল মান্নান সৈয়দ


 

ছন্দ - আবদুল মান্নান সৈয়দ

বইটি সম্পর্কে লেখক নিজেই যা বলেছেন:
"যথাসাধ্য সহজ ও স্বচ্ছভাবে বাংলা ছন্দের মতো দুরূহ বিষয়কে উপস্থিত করবার চেষ্টা করেছি। পাদটীকা যথাসম্ভব বর্জন করেছি। পারিভাষিক কুহেলি ও জটিলতা যথাসাধ্য পরিহার করেছি। মূল জিনিশটি ধরে দেবার চেষ্টা করেছি..."

ছন্দ - আবদুল মান্নান সৈয়দ

গল্পসংগ্রহ - আবদুল মান্নান সৈয়দ

আবদুল মান্নান সৈয়দের গল্পসংগ্রহে স্থান পেয়েছে আটাশটি গল্প। সংগ্রহটি গ্রন্থিত ও অগ্রন্থিত দুটি পর্বে বিভক্ত। গ্রন্থিত অংশে ‘জলপরি’, ‘কে তুমি’, ‘চোখ’ ইত্যাদিসহ তাঁর বিভিন্ন প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ থেকে ১১টি গল্প নেয়া হয়েছে। আর অগ্রন্থিতভাগের গল্প-- যেগুলো এই প্রথম মলাটবন্দী হচ্ছে। তাই পুরোনো বিখ্যাত গল্পগুলোর পাশাপাশি একগুচ্ছ অগ্রন্থিত গল্পে পাঠক নতুনত্বের আস্বাদ পাবেন। তবে গল্পের বয়ানে ও বুননে নিজস্ব অন্তর্বাস্তবিক কুশলতা চিরচেনা মান্নান সৈয়দকে মনে করিয়ে দেয়।


গল্পসংগ্রহ - আবদুল মান্নান সৈয়দ


 

একাত্তর - আবদুল মান্নান সৈয়দ

"একাত্তর" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আবদুল মান্নান সৈয়দ একটি গল্প লিখেছিলেন, ব্ল্যাকআউট’। আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখেছেন এ পর্যন্ত দুটি উপন্যাস - ক্ষুধা প্রেম আগুন আর এই একাত্তর প্রথম উপন্যাসটি প্রথম সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে, আর একাত্তর উপন্যাসটি ১৯৯৫ সালে। প্রথম উপন্যাসের পটভূমি ছিল ঢাকা, আর দ্বিতীয় উপন্যাসটির পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল। এবং প্রতিবেশী দেশের একটি সীমান্ত শহর। সাময়িকপত্রের পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধার করে একাত্তর এই প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলো। মান্নান সৈয়দের এই উপন্যাসে পাঠক পাবেন সেই বিলোড়ক কালের একটি চিত্র, কিন্তু চিত্রঅতিক্রমী হৃদয়স্পর্শিতাও।


একাত্তর - আবদুল মান্নান সৈয়দ


 

আবদুল মান্নান সৈয়দের শ্রেষ্ঠ কবিতা

'শ্রেষ্ঠ কবিতা' নামটি প্রচলিত অর্থেই ব্যবহার করা হয়েছে এখানে। শ্রেষ্ঠ কবিতা সমগ্র কবিতাসংগ্রহ নয় - কবির পরিচয় তার সমগ্র কবিতায় এমনকি সমগ্র রচনায়। আর এটি একজন চলিষ্ণু কবিরই চলিষ্ণুতার একাংশ। স্রোত, কিন্তু সম্পূর্ণ নদী নয়। এসব দিক থেকে এ বই অসম্পূর্ণ। এই সঞ্চয়িতায় আছে কেবল কবিতালিপ্ত একজনের পঁচিশ বছরের আবেগী মননী হৃদয়ের উৎসারণ, পৃথিবীতে এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু আশ্চর্য ভ্রমণের একটি কৃতজ্ঞ নম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য।


আবদুল মান্নান সৈয়দের শ্রেষ্ঠ কবিতা


 

ডিফিকাল্ট ডটার্স - মঞ্জু কাপুর (অনুবাদ - আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু)

ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক মঞ্জু কাপুরের প্রথম উপন্যাস 'ডিফিকাল্ট ডটার্স' ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর ১৯৯৯ সালে কমনওয়েলথ রাইটার্স পুরষ্কার অর্জন করে। দীর্ঘ পাঁচ বছর সময় নিয়ে লিখিত তাঁর গবেষণাধর্মী উপন্যাসে প্রেম ছাড়াও বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন, নারীবাদ, সমসাময়িক পারিবারিক ও শহুরে মূল্যবোধের মতো বিষয়গুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুনিপুণ কারিগরের দক্ষতায়।

ঔপন্যাসিকের বর্ণনাভঙ্গির কারণে অনেক ঘটনা ও চরিত্র পাঠকের কাছে পরিচিত ও ঘনিষ্ট মলে হয়। ভারত বিভাগপূর্ব সময়েও নারীরা প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং তাদের কণ্ঠ সোচ্চার হতে শুরু করেছিল সকল পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও। নারী ও পুরুষের মাঝে বৈষম্যের যে প্রাচীর ছিল তা ক্রমেই দূর হয়ে আসছিল।

শিক্ষিত নারীদের আবেগের যে দিকটি অবহেলিত ছিল এবং তাদের আকাঙ্খা অবদমিত রাখতে বাধ্য করা হত তার স্ফুরণ ঘটানোর প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায় 'ডিফিকাল্ট ডটার্স'-এ ৷ মঞ্জু কাপুর স্বীকার করেছেন থে, তার উপন্যাসের মূল চরিত্র 'বীরুমতি' আসলে তার মা, যিনি তার বাবা-মা'র যন্ত্রণার উৎসে পরিণত হয়েছিলেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছিল দেশ বিভাগকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত বেদনাদায়ক ঘটনাগুলো, যা তিনি পাঠককে জানানোর তাগিদ অনুভব করে উপন্যাসটি লিখতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন এবং তিনি তার প্রচেষ্টায় যে সফল হয়েছেন তার প্রমাণ 'ডিফিকাল্ট ডটার্স' প্রকাশিত হওয়ার পর এটি বেস্ট-সেলারে পরিণত হওয়ায়।

এক যুগ আগে উপন্যাসটির প্রথম বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয়। দীর্ঘদিন পর্যন্ত 'ডিফিকাল্ট ডটার্স' -এর কোনো সংস্করণ প্রকাশিত না হওয়ায় সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'নালন্দা' বাস্তবধর্মী এই উপন্যাসটি পুনঃপ্রকাশ করে পাঠকের আগ্রহ পূরণে এগিয়ে এসেছে।

ডিফিকাল্ট ডটার্স - মঞ্জু কাপুর (অনুবাদ - আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু)



রহস্যের আলোছায়া - আনন্দ বাগচী

রুটিতে মাখন মাখাতে মাখাতে সুনন্দ ঠাট্টা করে কী একটা কথা বলেছিল, অমিয় শুনতে পায়নি । হলিডে হোমের খোলা জানলায় দাঁড়িয়ে সে তখন বাইরের দৃশ্যে মশগুল। কবিমানুষ, তার ওপর এই প্রথম কলকাতার বাইরে এমন এক মনোরম জায়গায় বেড়াতে এসেছে। স্কুলের পরীক্ষা, অভিভাবকের শাসন, হাতিবাগান-শ্যামবাজারের হট্টগোল ছাড়িয়ে এমন নির্জনতা আর নদীপ্রান্তর বনভূমি তাকে কেমন উদাস আর বেহুঁশ করে দিয়েছে। একটা গানের লাইন নিচু গলায় গুনগুন করতে করতে সে হঠাৎ থেমে গেল। এভাবেই শুরু কাহিনীর...

রহস্যের আলোছায়া - আনন্দ বাগচী


মৃত্যুর টিকিট - আনন্দ বাগচী

পলক ফেলারও সময় দিল না, দুচোখে কেউ যেন আচমকা আলকাতরা ছুড়ে মারল। সঙ্গে সঙ্গে সুনন্দ আর শহর অন্ধ। অন্ধকার। লোড-শেডিং। সুনন্দ আর টাল সামলাতে পারল না, একটা ধাক্কা খেয়ে পায়ে পা বেধে পড়ে গেল। পড়ে যেতে যেতে টের পেল, তার গা ঘষটে ঝড়ের মতো কিছু বেরিয়ে গেল। গোরু কিংবা কুকুরের পাল অনেক সময় এরকম ঝাড় তুলে ছুটে যায়। প্রথমে তাই ভেবেছিল, কিন্তু না, পরের মুহূর্তেই টের পেল ওরা মানুষ। চার-পাঁচ জন হবে। সুনন্দর পেছন থেকে ছুটে এসে সামনের দিকে চলে গেল। ব্যাপারটা কী তা বুঝতে পারার আগেই গোটা-দুই চোখ ঝলসানো ফ্ল্যাশ দিল, তারপরই গায়ে-গায়ে সেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। মাটি কাঁপিয়ে প্রচণ্ড শব্দে বোমা...

মৃত্যুর টিকিট - আনন্দ বাগচী

ছোঁ - আনন্দ বাগচী

ক্যারমের বোর্ডে তখন নিখিলেশ তার প্রতিপক্ষ সুনন্দকে একেবারে কাবু করে এনেছে। ওর আঙুলে যেন ম্যাজিশিয়ানের আত্মা ভর করেছে। স্ট্রাইকার ছুটছে নির্ভুল বুলেটের মতো।

নিখিলের বোন শিখা উল বুনতে বুনতে দেখছিল। হাততালি দিয়ে বলল, "ক্যালকাটার টিকটিকির এবারও ন্যাজ খসে গেল! আরে বাবা, ডেল্লি হচ্ছে বরাবরের রাজধানী, তার সঙ্গে কি ওই বাঙালিটোলার---”

সুনন্দ সঙ্গে সঙ্গে বাধা দিল, "বরাবরের না। হিস্ট্রিটা একটু ভাল করে উলটে দেখিস। ক্যালকাটা ইজ এখনো...

ছোঁ - আনন্দ বাগচী

চোখের আড়ালে - আনন্দ বাগচী

দুপুর থেকে আজ একটানা পড়ার বইয়ের সঙ্গে রগড়ারগড়ি চলছিল সুদীপ্তর। কিন্তু মিথ্যেই। যা পড়ছিল তার সিকিভাগও মাথায় ঢুকছিল না। গায়ের জোরে মল্লযুদ্ধই হয়, পরীক্ষার পড়া হয় না। অগত্যা সকালে কিনে আনা পেপারব্যাকখানাই টেনে নিয়ে লম্বা হয়েছিল। কিন্তু এমন জমজমাট রহস্যরোমাঞ্চের বইয়েও মন বসল না কেন জানি। শেষে হ্যাত্তেরি বলে ব্যাঙবাজি খেলার কায়দায় বইখানাকে ছুঁড়ে দিল টেবিলের ওপর। এভাবেই শুরু কাহিনী...


চোখের আড়ালে - আনন্দ বাগচী