Pages

Thursday, December 1, 2022

ওয়ান নাইট@দ্য কল সেন্টার - চেতন ভগত

কাহিনীটা তিনজন পুরুষ এবং তিনজন নারী চরিত্রের একটা রাতকে নিয়ে ; উপন্যাসের চরিত্র গুলোর নাম শ্যাম, বরুন, মিলিটারি আঙ্কেল, রাধিকা, প্রিয়াংকা এবং এষা । জীবনে একেকজন একেক ধরনের ইচ্ছা এবং ট্র্যাজেডির স্বীকার। একসাথে সবাই কাজ করে Connexions নামের এক কল সেন্টারে যা American এক কোম্পানির কাস্টমার কেয়ার হিসেবে পরিচালিত । কল সেন্টারে তারা নিজেদের নামে পরিচিত না । সেখানে শ্যাম হয়ে যায় স্যাম, বরুন হয় ভিক্টর...


ওয়ান নাইট@দ্য কল সেন্টার - চেতন ভগত
 

 

শ্রীরামকৃষ্ণ সাহিত্যধারা ও অন্যান্য প্রবন্ধ - চিত্রা দেব

বাংলাসাহিতো শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রভাব অপরিসীম । তাঁর অসংখা জীবনচরিত লেখা হয়েছে, তার বাণীর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে নানাভাবে। ঠাকুরের পূণ্য আবির্ভাবে ক্রমক্ষীয়মাণ সাধক-জীবনী-রচনার ধারাটিই শুধু পুনর্জীবিত হয়নি, সহজ-সরল-অনাড়ম্বর ভাষায় গভীর তত্ত্বাদি আলোচনাতেও শ্রীরামকৃষ্ণ-শিষ্যমণ্ডলীকে পথিকৃৎ বলা চলে। উক্ত সন্যাসীবৃন্দ বাংলা প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় প্রচলিত সাধু ও চলিত লেখারীতি-দুটিকেই পুষ্ট করেছেন । স্বামী বিবেকানন্দ বাংলা ভাষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও সর্বজনবোধ্য করে তোলার জন্য কলকাতার ভাষা নিষে ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা ভেবেছিলেন, তৃতীয় প্রবন্ধে সে-কথাই বলতে চেয়েছি । চতুর্থ রচনাটিতে স্ত্রী-স্বাধীনতা ও শিক্ষা প্রসঙ্গে স্বামীজীর দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলা হয়েছে।


শ্রীরামকৃষ্ণ সাহিত্যধারা ও অন্যান্য প্রবন্ধ - চিত্রা দেব



 

শংকর কবিচন্দ্রের মহাভারত - চিত্রা দেব

শংকর কবিচন্দ্রের 'মহাভারত' প্রকাশের জন্য বিভিন্ন পুঁথির পাঠ পরীক্ষা করা হয়েছে। বিভিন্ন গ্রন্থাগারে রক্ষিত কবিচন্দ্রের পুঁথিগুলির অধিকাংশই পালাপুঁথি বা খণ্ডিত- কোনটিই সমগ্র গ্রন্থের অনুলিপি নয়। এগুলো সংকলন করেই এই গ্রন্থের অবতারণা।


শংকর কবিচন্দ্রের মহাভারত - চিত্রা দেব


 

বুদ্ধদেব কেমন দেখতে ছিলেন - চিত্রা দেব

বইটিতে রয়েছে বুদ্ধদেবের জীবনকথা ও বৌদ্ধধর্ম প্রচারের কাহিনি, ভারতের প্রধান-প্রধান বৌদ্ধতীর্থগুলির নাম ও বেশ কিছু দুষ্প্রাপ্য ছবি।


বুদ্ধদেব কেমন দেখতে ছিলেন - চিত্রা দেব


 

ঠাকুরবাড়ির বাহিরমহল - চিত্রা দেব

উনিশ শতকের নবজাগরণের আলোয় সবচেয়ে বেশি উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিলেন ঠাকুরবাড়ির সদস্যেরা। গ্রাম থেকে মহানগর হয়ে ওঠা কলকাতার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে ঠাকুর পরিবার। জোড়াসাঁকোর দুটি বাড়ি ছাড়াও আরও কয়েকটি ঠাকুরবাড়ি ছিল পাথুরিয়াঘাটা ও অন্যত্র। আদিতে একই পরিবারের সদস্য ছিলেন এঁরা। চিত্রা দেব-এর ‘ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল’ একটি বহু-আলোচিত গ্রন্থ। স্বনামধন্যা এই গবেষিকার নতুন গ্রন্থ ‘ঠাকুরবাড়ির বাহিরমহল’-এ ঠাকুরবাবুদের বিচিত্র জীবনের রেখাচিত্র। নিতান্ত দরিদ্র অবস্থায় ঠাকুরবাড়ির পূর্বপুরুষ পঞ্চানন ও তাঁর কাকা শুকদেব ভাগ্যান্বেষণে এসে পৌঁছেছিলেন ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী এক গ্রামে। নতুন জায়গায় পুরনো মৌলিক পরিচয় গেল হারিয়ে। একটি নতুন পদবি পেলেন তাঁরা, ঠাকুর। পঞ্চানন-শুকদেবের উত্তরপুরুষেরা একদিন সমাজে প্রতিষ্ঠিত হলেন। সম্মিলিত জীবনযাত্রা থেকে ছড়িয়ে পড়লেন একাধিক পারিবারিক বৃত্তে।


ঠাকুরবাড়ির বাহিরমহল - চিত্রা দেব


 

ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল - চিত্রা দেব

পশ্চিম দিগন্তের একটুখানি আলো এসে পড়ল পুবের আকাশে। সেই নবজাগরণ। তার আকস্মিক সম্পাতে যখন অনেকে দিগভ্রান্ত, কেউ বা পথচ্যুত কিংবা বিদ্রোহী, তখন প্রথম উষার সবটুকু উষ্ণতা গ্রহণ করে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি যেন সারা দেশের ঘুম ভাঙাবার ভার নিয়েছিল। নবজাগরণের সেই পর্বে নারীজাগৃতির যে-আয়োজন শুরু হয়েছিল, এই বাড়ির মহিলারা সেই কাজে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। সামাজিক বিধিনিষেধ আর ঘেরাটোপের রহস্য ছিন্ন করে তাঁরা ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন। চিত্রা দেব এই গ্রন্থে ঠাকুরবাড়ির ভিতরমহলে আলো ফেলে উদ্ভাসিত করেছেন সেদিনের চমকপ্রদ ইতিহাস।


ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল - চিত্রা দেব 


 

আবরণে আভরণে ভারতীয় নারী - চিত্রা দেব

নারীর রূপরচনার ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যাবে, ভারতীয় নারীর সাজে যত বৈচিত্র্য আছে পৃথিবীর অপর কোন দেশের নারীর পোশাকে তা নেই। প্রাচীনকাল থেকে এদেশের নারী আপন রূপরচনার ক্ষেত্রে এমন অসামান্য নজির স্থাপন করেছিলেন যার সঙ্গে প্যারিসের প্রখ্যাত ডিজাইনার ডিয়রের কোন মতপার্থক্য নেই। এ এক আশ্চর্য ঘটনা। ভারতের সব নারীই কমবেশি সৌন্দর্য সচেতন। তাঁদের সৌন্দর্যপ্রিয়তাই গৃহকে করে তুলেছে মন্দির, গৃহস্থালির প্রতিটি প্রয়োজনীয় সামগ্রীকে করেছে দৃষ্টিনন্দন। আবরণে-আভরণে নিজেকে সুন্দর করে তোলাও তারই অঙ্গ।

 দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তন অনেকসময় নারীদের জীবনে নিয়ে এসেছে সঙ্কট ও অনিশ্চয়তা। তার প্রভাব পড়েছে তাঁদের পোশাক ও প্রসাধনে, অলঙ্কার ও অবগুণ্ঠনে। ভারতীয় নারীর সাজসজ্জার এই বিবর্তনের ইতিহাসটিকেই তুলে ধরেছেন চিত্রা দেন, সঙ্গে আছে বিভিন্ন সময়ের সুসজ্জিতা নারীর অনেকগুলি ছবি।


আবরণে আভরণে ভারতীয় নারী - চিত্রা দেব


 

আপন খেয়ালে চলেন রাজা - চিত্রা দেব

রাজারাজড়াদের যুগ বিগত, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কে কৌতূহল আজও জাগ্রত। বিশেষত তাঁদের রাজকীয় মেজাজ, আমোদ প্রমোদ, শখ- বাতিক, সাধ-আহ্লাদ কি খামখেয়ালিপনার গল্প এখনো আগ্রহ জাগায়। ভারতীয় রাজাদের, বিশেষ করে দেশীয় রাজন্যবর্গদের নিয়ে এই ধরনের কতিপয় বই লেখা হলেও ভিন ভাষায় সেসব বই এখন দুষ্প্রাপ্য। আর বাংলা ভাষায় এ জাতীয় বই নেই বললেই চলে, বহু অনুভূত সেই অভাব মেটাবে চিত্রা দেবের এই গ্রন্থ। শুধু দেশীয় রাজন্যবর্গের কথাই নয়, এ- গ্রন্থে শোনানো হয়েছে মুঘল সম্রাটদের, হিন্দু রাজাদের এবং নবাব ও রাজা খেতাবপ্রাপ্ত ধনীদের কথাও। তাঁদের জীবনী নয়, জীবন- উপভোগের নানান পদ্ধতি ও বৈচিত্রই এ গ্রন্থের প্রধান বিষয়। গবেষণার ধাঁচে একেবারেই লেখা হয়নি। বিভিন্ন গ্রন্থে ও পত্র পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উপাদানের ভিত্তিতে সম্পুর্ণ গল্পের ভঙ্গিতে শোনানো হয়েছে কাহিনী। বর্ণনার গুণে প্রতিটি কাহিনীই যেন জীবন্ত।


আপন খেয়ালে চলেন রাজা - চিত্রা দেব


 

অন্তঃপুরের আত্মকথা - চিত্রা দেব

বাংলার নারীজাগরণের ছিন্নসূত্রটির পুনরুদ্ধারের কাজে যিনি ইতিমধ্যেই যশস্বিনী ‘ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল’ রচনা করে, সেই চিত্রা দেব এবার আরও ব্যাপক অনুসন্ধানে ব্রতী হয়েছেন বাংলার নারী-জীবনেরই অন্দরমহলে প্রবেশ করে । ১৮০৯ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে যাঁদের জন্ম-বাংলার প্রথম মহিলা আত্মজীবনীকার রাসসুন্দরী দেবী থেকে নির্যাতিতা বধূ অমিয়বালা দেবী পর্যন্ত —এমন প্রায় ষাট জন বঙ্গনারীর লেখা বিভিন্ন আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা কিংবা দিনলিপিতে ছড়ানো-ছিটনো নারীজীবনের খণ্ডচিত্রগুলিকে একত্র করে তার মধ্য দিয়ে তিনি তুলে ধরেছেন বঙ্গললনাকুলের মানসিক বিবর্তনের প্রামাণ্য, বিস্তৃত ও অন্তরঙ্গ এক বিবরণ। ‘অন্তঃপুরের আত্মকথা’ তাই একদিকে যেমন বাংলার নারীজাগরণের ধারাবাহিক বৃত্তান্ত, অন্যদিকে তেমনি দ্বিধা-সংশয় পার হয়ে বঙ্গনারীদের এক নিশ্চিত প্রত্যয়ে পৌঁছে যাবার স্বীকারোক্তি।


অন্তঃপুরের আত্মকথা - চিত্রা দেব


 

অনাদি-অনন্ত - চিত্রা দেব

'অনাদি-অনন্ত' কন্নড় ভাষায় রচিত শ্রীরঙ্গের অষ্টম উপন্যাস। এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু হচ্ছে স্ত্রী-পুরুষের সম্বন্ধ। (দৈহিক সম্বন্ধ বললে অনাবশ্যকভাবে বিষয়বস্তুর ব্যাপকতার উপর নজর দেবার মতন হবে। শ্রী পুরুষ দুজনেরই একে অপরের মনকে সমস্ত জীবনে ব্যাপ্ত করবার শৈলী এই উপন্যাসে আছে।) এই কাহিনীর বিকাশের সঙ্গে আরও কয়েকটি উপকাহিনী সাঙ্কেতিক রূপে প্রথম থেকেই চলতে থাকে এবং উপন্যাসের জটিলতা বাড়ায়। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সম্বন্ধ, ভাষার বৈশিষ্ট্য, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের সম্বন্ধ, শরীর ও মনের সম্বন্ধ এই সবই উপন্যাসের উপজীব্য। চিত্রা দেব তার সাবলীল ভাষায় বইটি অনুবাদ করেছেন।


অনাদি-অনন্ত - চিত্রা দেব